আমাদের দৈনান্দিন জীবনে অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান ও শিক্ষা এই চারটা

আমাদের দৈনান্দিন জীবনে অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান ও শিক্ষা এই চারটা আবশ্যিক চাহিদা নিয়ে আমাদের মতন জীবন। এই চাহিদাগুলো পূরন করতে আমাদেরকে আয়ের উৎস খুঁজে বের করতে হয়। সবচেয়ে মজার বিষয় হল: এই আবশ্যিক চাহিদা আমাদের মতন মানুষগুলোর কাছে যতটা গুরুত্বপূর্ন সেই হিসেবে আমাদের রক্ষাকর্তা সরকারের খুব নগন্য বিষয় তাই সেদিকে কোন খেয়াল থাকে না। তাই খাবারের দাম বেড়ে চলে তাও আবার ভেজাল মিশ্রিত, সবচেয়ে বেশী দাম বাড়ছে সামনে পবিত্র রমজান মাসকে আসতে দেখে। বিশ্বের সব মুসলিম দেশে রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের দাম হ্রাস পায় আমাদের দেশে বৃদ্ধি পায় এখানে ব্যবসায়ীরা মাথায় টুপি পড়ে নিরবে ক্রেতাদের ঠকিয়ে ব্যবসা করে যায়। এই ব্যাপারে সরকারপক্ষ ও বিরোধীদল নিরব।

পাসের হার বাড়ছে কিন্তু মিলছে না চাকরী কেননা, যে চাকরী করবে সে মেধাবী ছাত্র, দারুন সিজিপিএ কিন্তু দরখাস্ত লিখতে পারে না, এই জন্যে ব্যাঙের ছাতার মতন গজিয়ে উঠা কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের ঠকিয়ে এতদিন টাকা কামিয়ে ফেলেছে। তারা মাসুম মন নিয়ে ভর্তি হয়ে অশিক্ষিত রয়ে গেছে। এই ব্যাপারেও সরকারপক্ষ ও বিরোধীদল নিরব।

যাদের অঢেল অলস সময়, যাদের অঢেল টাকা, যাদের কিচ্ছু করার নেই তারা হয়ত রাজনীতি করে। তাদের শিক্ষার দরকার পড়ে না। তারা টাকার গন্ধ শুকে মানুষকে মর্যদা দেয়। তারাই দেশপ্রেমিক সেজে বসে থাকে আর বাকিদের মীরজাফর বলে গালাগাল করে।

আমাদের মতন ছাপোষা মানুষগুলো যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় সারাক্ষন তারাইতো প্রকৃত দেশপ্রেমিক এবং দেশকে দেওয়ার জন্যে নিঃস্বার্থ তারাইতো উদগ্রীব থাকে, অস্থিরতায় ভোগে।

Advertisements

আট দফা দাবী আদায়ের জন্যে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ধর্মঘট

আজ আট দফা দাবী আদায়ের জন্যে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল । কিছুক্ষন আগে পেট্রোবাংলার সাথে সিএনজি মালিকগন আলোচনা করে এই ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আজ সারাদিন সিএনজি পাব না ভেবে তাড়াহুড়া করে গতকাল বিরাট লাইন দিয়ে গাড়ীতে সিএনজি গ্যাস ভরা হয়েছিল। যারা এরকম প্রচন্ড কষ্ট করে সিএনজি নিয়েছিল তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সিএনজি মালিকগনের দুঃখ প্রকাশ করে প্রেস বিবৃতি দেওয়ার অভ্যাস কোনদিন হয় নি, উঠবেও না। তাদের একটা সমিতি আছে সিএনজি মালিক সমিতি তাদের কাজ হচ্ছে দাবী আদায় করা, তারা আমাদের মতন সিএনজি ক্রেতাদের নিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ করার সময় পান না। কিন্তু ধর্মঘট ডাকতে একদম সময় নেন না। ব্লাকমেইল করে দাবী আদায়ের অভ্যাসটা কেন অবৈধ নহে সেই ব্যাপারে হাইকোর্টকে কোন দিন কারন দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছে না কেন সেই প্রশ্রের উত্তর আমার কাছে জানা নেই।

আমার অনেকগুলো বন্ধু ছিল

আমার অনেকগুলো বন্ধু ছিল। যাদের সাথে আমার পরিচয়ের সূত্র স্কুলের , কলেজের, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠরত কোনো এক সময়গুলোতে । এক বেঞ্চে বসে কিংবা ক্লাস ফাঁকি দিযে বিরামহীন আড্ডা শেষে বন্ধুত্বের গাঢ় ছিল কেউ কেউ। কেউ ছিল বিকালের খেলার সাথী। আবার, কেউ কেউ হঠাৎ চা’র দোকানে বসে আড্ডা দেওয়া পাড়ার বন্ধু। লিখতে লিখতে কিছু কবি বন্ধু। আবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে কিছু আবৃত্তিকার বন্ধু । কম্পিউটার, ইন্টারনেট, শিখতে শিখতে কিছু নেট বন্ধু। ছবি তুলতে তুলতে অনেক ফটো বন্ধু। এভাবে বন্ধুদের সংখ্যা বেড়ে চলে কিন্তু কেউ সহজে ভালো বন্ধু হতে চায় নি। ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে অনেকে হারিয়ে যায়, আমি আজীবন ভুলোমনা তাই আমিও মনে রাখি না। মাঝে মাঝে হুটহাট এর ওর সাথে দেখা হয়ে যায় চিনতে পারি না তাই বিব্রতবোধ হয়। তবুও আমার কছে একান্ত আপন কিছু বন্ধু থাকে যারা আমাকে কখনো ডুবতে দেয় না। ওদের সাথে রোজ রেজা দেখা হয় না। ওরা কোনদিন আমায় ভুলতে পারে না তাই ভড়কে দিয়ে অফিসে চলে আসে । তখন খুব ভালো লাগে। বন্ধু মানে বোধহয় একাকীত্বের অবসান। আমি তাই মনে প্রানে বিশ্বাস করি, বন্ধু হওয়া খুবই সহজ কিন্তু বন্ধু হয়ে পাশে থাকাটা সহজ নয় অনেক কঠিন।

দেশ ডুবে যাচ্ছে বারবার গভীর জলে

দেশ ডুবে যাচ্ছে বারবার গভীর জলে। দুম করে মরে যাচ্ছে মাথা ঘাম পায়ে ফেলা মানুষগুলো। রক্ত বেচা কষ্ট জমানো টাকা আমরা কর দিচ্ছি। সেই টাকা নিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে সরকার আমাদের প্রতি নিয়ত খুন করে যাচ্ছে আর বিরোধী দল নিজেদের তৃপ্তি আর ভোগের দাবীতে আমাদের গলা চেপে ধরছে।

কেউ কথা রাখে নি,
দেশকে ওদের ভালোবাসার কথা ছিল
বাসে নি
আমাদের মতন
অন্ধকার দেখা মানুষগুলোর
সুদিন আসার কথা ছিল
আসে নি।